News
-
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা
নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে প্রথমবারের মতো 'আঞ্চলিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা' অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি চ্যাম্পিন এবং রানার্সআপ হয়েছে কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদরাসা। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দল নেতা রোদসী হোসাইন হৃদি। ১৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, কক্সবাজার সরকারি কলেজ, কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা, কক্সবাজার সিটি কলেজ, বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৮টি টিম অংশগ্রহণ করে। বিতার্কিকদের মেধা, যুক্তি, তর্কবিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে নক আউট থেকে সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হয় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, কক্সবাজার সরকারি কলেজ, কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। নির্ধারিত বিষয়ে বক্তাদের তীব্র উপস্থাপনা ও যুক্তিতর্কে বিপক্ষ দলকে হারিয়ে ফাইনাল রাউন্ডে যায় কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল
ইউনিভার্সিটি। ফাইনাল রাউন্ডে "বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামরিক শক্তির চেয়ে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যই ভূ-রাজনীতির মূল নিয়ন্ত্রক" বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। কক্সবাজার হাশেমিয়া (কামিল) মাস্টার্স মাদরাসার শিক্ষার্থীদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি যুক্তি তর্কে এগিয়ে থাকায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। প্রতিযোগিতা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ বিজয়ী দলের শিক্ষার্থীদের হাতে ট্রপি ও সনদ তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পৃথক রাউন্ডে মডারেটর ছিলেন, ইমরুল ইবনে হোসাইন, তাসনিম তুরিন, প্রিমা বড়ুয়া ও আতাউর রহমান। পুরো অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন সিবিআইইউ ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর সামিয়া আফরোজ। সমাপনী বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সমস্ত টিমকে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ভবিষ্যতে এসব আয়োজনে সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ট্রেজারার প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজিজী, রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. খোরশেদ আলী, সহকারী পরিচালক (পিআর এন্ড মিডিয়া) ইমাম খাইরসহ বিচারক, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

